মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের জেরে শুরু হওয়া ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলন এখনো চলছে। এরমধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে আলোচনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সরকার বলেছে, আলোচনার জন্য তাদের কাছে যেন প্রতিনিধি পাঠানো হয়। তবে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে শর্ত দিয়েছেন, সরকার যদি আলোচনা চায় তাহলে তাদের কাছেই সরকারকে আসতে হবে।
বুধবার (২২ জুলাই) অভিজিৎ সাংবাদিকদের বলেন, যদি সরকার আলোচনা চায়, তাহলে তাদেরকেই যন্তর মন্তরে আসতে হবে। আমাদের শর্তগুলো তাদের অবশ্যই মানতে হবে। আমরা সরকারকে আমাদের শর্তে রাজি হওয়ার অনুরোধ করবো। সরকারের দাম্ভিকতা ধ্বংস হওয়া উচিত।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, সরকারের একটি সূত্র জানিয়েছে, আন্দোলনকারীরা যদি আলোচনার জন্য আসে, তাহলে তারা প্রস্তুত আছেন। এমন পরিস্থিতিতে সিজেপির মুখপাত্র আষুতোশ রাঙ্কা একটু নমনীয় হয়েছেন।
আষুতোশ বলেছেন, সরকারের সঙ্গে একটি নিরপেক্ষ ভেন্যু অথবা যন্তর মন্তরে আলোচনা হতে পারে। আমরা আমাদের দাবি থেকে পিছু হটবো না। আমাদের দাবি হলো- শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে।
এদিকে, নিজেদের অনড় অবস্থানের কথা জানিয়ে অভিজিৎ দীপকে বলেছেন, সোমবার (২০ জুলাই) তাদের প্রতিনিধিদের আলোচনার জন্য ডেকে নেওয়া হয়। কিন্তু এরপর তাদের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে গৃহবন্দি করা হয়। আর তখনই পার্লামেন্ট অভিমুখী বিক্ষোভকারীদের ওপর লাঠিচার্জ করা হয়।
সোমবার বিজেপির সভাপতি ও ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জেপি নাড্ডার সঙ্গে আলোচনার জন্য যান সিজেপির দুই প্রতিনিধি। সূত্র: এনডিটিভি
বুধবার (২২ জুলাই) অভিজিৎ সাংবাদিকদের বলেন, যদি সরকার আলোচনা চায়, তাহলে তাদেরকেই যন্তর মন্তরে আসতে হবে। আমাদের শর্তগুলো তাদের অবশ্যই মানতে হবে। আমরা সরকারকে আমাদের শর্তে রাজি হওয়ার অনুরোধ করবো। সরকারের দাম্ভিকতা ধ্বংস হওয়া উচিত।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, সরকারের একটি সূত্র জানিয়েছে, আন্দোলনকারীরা যদি আলোচনার জন্য আসে, তাহলে তারা প্রস্তুত আছেন। এমন পরিস্থিতিতে সিজেপির মুখপাত্র আষুতোশ রাঙ্কা একটু নমনীয় হয়েছেন।
আষুতোশ বলেছেন, সরকারের সঙ্গে একটি নিরপেক্ষ ভেন্যু অথবা যন্তর মন্তরে আলোচনা হতে পারে। আমরা আমাদের দাবি থেকে পিছু হটবো না। আমাদের দাবি হলো- শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে।
এদিকে, নিজেদের অনড় অবস্থানের কথা জানিয়ে অভিজিৎ দীপকে বলেছেন, সোমবার (২০ জুলাই) তাদের প্রতিনিধিদের আলোচনার জন্য ডেকে নেওয়া হয়। কিন্তু এরপর তাদের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে গৃহবন্দি করা হয়। আর তখনই পার্লামেন্ট অভিমুখী বিক্ষোভকারীদের ওপর লাঠিচার্জ করা হয়।
সোমবার বিজেপির সভাপতি ও ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জেপি নাড্ডার সঙ্গে আলোচনার জন্য যান সিজেপির দুই প্রতিনিধি। সূত্র: এনডিটিভি